ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকবেন যেভাবে

ইন্টারনেটে নিরাপদঃ বর্তমান যুগটি আধুনিক যুগ। এই যুগে খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা ও শিক্ষার মতোনই ইন্টারনেটও মানুষের একটি মৌলিক চাহিদার মতোন হয়ে গেছে। ইন্টারনেটের সাহায্যে ছাড়া যেন আমরা এক মুহূর্ত সময়ও যেন সহজে কাটাতে পারি না।

বর্তমান পরিস্থিতি একবার চিন্তা করে দেখুন। করোনা মহামারীর কারণে সবার বাসায় বসে রয়েছে। কিন্তু তবুও আমরা সকলের সাথে যোগাযোগ করতে পারছি। নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করার জন্য বাসায় বসে কাজ করতে পারছি। কিভাবে করতে পারছি এসব? একবারো ভেবে দেখেছে? ইন্টারনেটের কল্যাণের কারণে এসব করতে পারছি।

আরো পড়ুনঃ

এতসব কিছু করার পাশাপাশি ইন্টারনেটে নিজেকে সঠিক ভাবে নিরাপদ না রাখলে আপনার অনেক বড় ক্ষতি হতে পারে। সব প্লাটফর্মের ভালো খারাপ উভয় দিক রয়েছে। তেমনি ইন্টারনেটেরও রয়েছে। আমরা যদি ইন্টারনেটের সঠিক ব্যবহার না করি ও ইন্টারনেটে নিরাপদ না থাকি তবে অনেক রকম ক্ষতি এক কথায় হ্যাকিং এর সম্মুখীন হব।

তো চলেন এই পোস্টে বিস্তারিত জেনে নেই। যে কিভাবে ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকবেন।

ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকবেন যেভাবে

ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো অতন্ত্য গুরুত্বপূর্ণ। পয়েন্টগুলো নিচে তুলে ধরে তা সংক্ষিপ্ত আকারে বর্ণনা করা হলো।

লিংক

অযথা কখনো কোন লিংকে ক্লিক করবেন না যদি না আপনার টেকনোলজি সম্পর্কে ভালো জ্ঞান তাকে। অযথা কোন লিংকে ক্লিক করলে তা হয়তো আপনাকে কোন ফিসিং ওয়েবসাইটে বা আপনার অজান্তে কোন অ্যাপ ডাউনলোড করে ফেলবে। তা ছাড়াও এসব যত্র-তত্র লিংকে ক্লিক করলে আপনার অজান্তে আপনার ডিভাইসকে হ্যাক করার জন্য কোন হ্যাকিং অ্যাকটিভিটি আপনি করে ফেলতে পারেন।

SSL

কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার আগে চেক করে নিন সেই ওয়েবসাইটে এসএসএল রয়েছে কি না। অর্থাৎ লিংকের শুরুতে http:// এর পরিবর্তে https:// রয়েছে কি না। ব্রাউজারে কোন ওয়েবসাইটের শুরুতে যদি Lock চিন্ন থাকে তাহলে বুঝে নিবেন ওই ওয়েবসাইটে এসএসএল রয়েছে। যদি লক চিন্ন না থাকে বা তা লাল কিংবা ক্রস হয়ে থাকে তাহলে ওই ওয়েবসাইটে ভিজিট না করার পরামর্শ রইল। এসএসএল এর কাজ কি তা বিস্তারিত ভাবে জানতে গুগল কিংবা ইউটিউবে অনুসন্ধান করতে পারেন। আমি সংক্ষিপ্ত আকারে বলে নেই এটা আপনার করা একটিভিটি (ওই ওয়েবসাইটে) গুলোকে ইনস্ক্রিপ্ট করে রাখে।

অ্যাপ পার্মিশন

যখন আমরা আমাদের ফোনে কোন অ্যাপ ইন্সটল করি তখন তা বিভিন্ন রকমের পার্মিশন চায়। তবে এইসব পার্মিশন দেওয়ার আগে আমাদের দেওয়া পার্মিশন গুলোর প্রতি ভালোভাবে নজর রাখতে হবে।

উদাহরণ সরুপঃ যদি কোন ফাইল ম্যানেজার অ্যাপ কল বা মেসেজের পার্মিশন চায় তবে তা কিন্তু সন্দেহজনক বিষয়। কারণ, কল ও মেসেজের পার্মিশনের নেওয়ার কোন প্রয়োজন নেই ফাইল ম্যানেজার অ্যাপের। এর মূল যে পার্মিশন প্রয়োজন তা হলো স্টোরেজ ও স্টোরেজে রিড এবং রাইট।

তাই কোন প্রকার অ্যাপ যদি এক্সটারনাল ভাবে ইন্সটল করে তবে পার্মিশন এর দিকে ভালোভাবে নজর দিবেন কেননা তা কোন ম্যালওয়্যারো হতে পারে।

উপসংহার

এই পোস্টে আমরা ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকার উপায় নিয়ে ১% ও আলোচনা করতে পারি নি। কেননা, ইন্টারনেট অনেক বড় একটি জালের মতোন। এখানে নিরাপদ থাকতে হলে আপনাকে প্রতি মুহুর্তে সতর্ক থাকতে হবে এবং সাবধানতা অবলম্ব করে হবে।

আশা করছি পোস্টটি আপনার ভালো লেগেছে। যদি পোস্টটি আপনার ভালো লেগে থাকে তাহলে পোস্টটি আপনি আপনার বন্ধু-বান্ধবদের সাথে শেয়ার করুন যাতে করে তারাও এই বিষয় সম্পর্কে জানতে পারেন। এই ধরনের আরো অনেক পোস্ট পেতে আমাদের সাথে থাকুন। সবার শেষে একটি কথাই বলব যে, “নিরাপদ ইন্টারনেট হোক সকলের জন্য”।

Leave a Comment